আলমডাঙ্গা

কালের সাক্ষী এলাহী সাপুড়ে।

0
আলমডাঙ্গার বন্ডবিল গ্রামের এলাহী সাপুড়ে । এই মানুষটা সাপের টুটি চেপে ধরে খেলা দেখিয়ে আলমডাঙ্গা এলাকার মানুষকে আনন্দ দিয়েছে।

আত্মনির্ভরশীল ও সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প

0
এই বাগানকে ঘিরে চার-পাঁচটি পরিবার আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতা পেয়েছে। স্বচ্ছলতার সাথে তাদের সংসার চলছে। পাশাপাশি তিনি নিজেও এখন আরও স্বাবলম্বি হতে পেরেছেন।

কুমার তীরের আলমডাঙ্গা; আলমডাঙ্গার ইতিহাস!

আলমডাঙ্গা নামকরণকে কেন্দ্র করে একটিবহুল প্রচলিত কিংবদন্তী এ অঞ্চলের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতারমুখে মুখে শোনা যায়। এক বান-ভাসীবৃদ্ধা নান্দায় চড়ে আলমডাঙ্গার কূলে ভিড়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে উঠে, “আলাম ডাঙ্গায়”। সেই থেকে নাকি আলমডাঙ্গা নামের উৎপত্তি।

লোক চক্ষুর অন্তরালে থেকে যাওয়া আমাদের কুবির গোঁসাই ।

0
প্রেমতত্ত্বমূলক কথাগুলোর রচয়িতা আলমডাঙ্গা উপজেলাধীন জামজামী ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের যুগীতাঁতি সম্প্রদায়ের সাধক কুবির গোঁসাই(১৭৮৭-১৮৭৯) এর।

আলমডাঙ্গার মিষ্টি গাঁথা।

0
মিষ্টি প্রস্তুতকারীদের হাতে এই শহরের পত্তন হলেও দেশবিখ্যাত কোনো মিষ্টির ব্রান্ড আলমডাঙ্গার মিষ্টি প্রস্তুতকারীরা সৃষ্টি করতে পারে নি। তবে ময়রা এবং গণ্ডকদের ধারা একেবারে বিলীন হয়ে গেছে এমনটাও বলা যায় না। ‘কালিপদ মিষ্টান্ন ভান্ডার’ হয়ত সেই ধারারই উত্তরসূরি।

মোড়ভাঙ্গার রসগোল্লা গাঁথা।

0
মোড়ভাঙ্গার রসোগল্লার রস তৈরি করতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হতো শুকনা বাবলা গাছের কাঠ এবং রস অর্থ্যাৎ চিনির সিরা তৈরির পদ্ধতিও ছিল প্রচলিত সিরা তৈরির পদ্ধতি থেকে ভিন্ন। যার জন্য সময় যেমন লাগতো তেমন মিষ্টিও এক খোলায় এক থেকে দেড় কেজির বেশি হতো না।

আলমডাঙ্গার রুপালি পর্দার ইতিহাস

0
১৯৯২ সালের এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৯৪ সালের প্রথম দিকে। ১৯৯৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম সিনেমা প্রদর্শিত হয়। নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল তৎকালীন সময়ে আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকা। কার্যক্রম শুরুর প্রথম থেকেই আঁখি সিনেমা হল বেশ জমজমাট হয়ে ওঠে। আলমডাংগায় থেকে জামজামি ইউনিয়ন ও এর আশেপাশের গ্রাম, সংলগ্ন কুষ্টিয়া সদরের কিছু গ্রাম এবং ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ড অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ দর্শক এখানে আসতো সিনেমা দেখতে।

Legend Voice! Let us listen to the history.

শুনুন আলমডাঙ্গা হাই স্কুল, স্কুলের মাঠ, ব্যারিস্টার বাদল রশীদ এসব বিষয়ে ওল্টু স্যারের স্মৃতিচারণ।