ইতিহাস

আলমডাঙ্গার মিষ্টি গাঁথা।

0
মিষ্টি প্রস্তুতকারীদের হাতে এই শহরের পত্তন হলেও দেশবিখ্যাত কোনো মিষ্টির ব্রান্ড আলমডাঙ্গার মিষ্টি প্রস্তুতকারীরা সৃষ্টি করতে পারে নি। তবে ময়রা এবং গণ্ডকদের ধারা একেবারে বিলীন হয়ে গেছে এমনটাও বলা যায় না। ‘কালিপদ মিষ্টান্ন ভান্ডার’ হয়ত সেই ধারারই উত্তরসূরি।

মোড়ভাঙ্গার রসগোল্লা গাঁথা।

0
মোড়ভাঙ্গার রসোগল্লার রস তৈরি করতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হতো শুকনা বাবলা গাছের কাঠ এবং রস অর্থ্যাৎ চিনির সিরা তৈরির পদ্ধতিও ছিল প্রচলিত সিরা তৈরির পদ্ধতি থেকে ভিন্ন। যার জন্য সময় যেমন লাগতো তেমন মিষ্টিও এক খোলায় এক থেকে দেড় কেজির বেশি হতো না।

আলমডাঙ্গার রুপালি পর্দার ইতিহাস

0
১৯৯২ সালের এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৯৪ সালের প্রথম দিকে। ১৯৯৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম সিনেমা প্রদর্শিত হয়। নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল তৎকালীন সময়ে আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকা। কার্যক্রম শুরুর প্রথম থেকেই আঁখি সিনেমা হল বেশ জমজমাট হয়ে ওঠে। আলমডাংগায় থেকে জামজামি ইউনিয়ন ও এর আশেপাশের গ্রাম, সংলগ্ন কুষ্টিয়া সদরের কিছু গ্রাম এবং ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ড অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ দর্শক এখানে আসতো সিনেমা দেখতে।

Legend Voice! Let us listen to the history.

শুনুন আলমডাঙ্গা হাই স্কুল, স্কুলের মাঠ, ব্যারিস্টার বাদল রশীদ এসব বিষয়ে ওল্টু স্যারের স্মৃতিচারণ।

বটবৃক্ষের জন্য প্রসিদ্ধ হলেও নাম তমালতলা!

0
বটবৃক্ষের জন্য প্রসিদ্ধ হলেও নাম তমালতলা অবশ্য সেখানে একটি অনেক পুরাতন তমাল গাছ এখনো বিদ্যমান, যেখানে প্রতিনিয়ত চলে পূজা-অর্চনা মানত।

গাছ মানুষকে জীবনীশক্তি দান করে।

0
গল্পের মতো শোনা যাচ্ছে তাই না ? কিন্তু এটাও মানুষ বিশ্বাস করে এবং আরগ্য লাভের আশায় দিনরাত গাছের নিচে অবস্থান করে। বেলগাছি ইউনিয়নের কাশিপুর (23.714967,88.926524) গ্রামের মাঠের মধ্যে বিশেষ এই গাছের অবস্থান। লোকমুখে শোনা এখানে অনেকেই রোগমুক্তির আশায় অবস্থান করে , এবং তাদের থাকার জন্য এখানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা আছে । গাছের নিচে প্রচুর পরিমানে আগর বাতি ও মোমবাতিএর অংশ পড়ে আছে ।

এ-টীম মাঠের জন্মকথা।

আলমডাঙ্গা বহুমুখী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এ-টীম মাঠটি শুধু স্কুলের নয়, এটা সমগ্র আলমডাঙ্গার জন্য একটি বিরাট সম্পদ। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থানের কারণে খেলাধুলা বাদেও মাঠটি রাজনৈতিক সভা, ধর্মীয় সভা এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের এক উল্লেখযোগ্য স্থান।

আমাদেরও একটা নদী ছিল।

0
আমাদের পূর্ব পুরুষরা বলতেন, ‘বিষটি-বাদলার দিনি সোতের কড় কড় শব্দের জ্বালায় রাতি ঘুমাতি পাত্তাম না।‘ এখন আমরা যা দেখছি তা ঠিক নদী না, বরং ক্যানাল। নদীর চরিত্র হারালেও আমরা একে ‘কুমার নদ’ বলে ডাকি। ক্যানাল আকারে থাকলেও তো কিছু একটা আছে, কিন্তু যেভাবে ভরাট করে দখল উৎসব চলছে, তাতে পঞ্চাশ বছর পরে ‘কুমার নর্দমা’ হিসাবেও এটার অস্তিত্ব থাকবে বলে মনে হয় না।