গাছ মানুষকে জীবনীশক্তি দান করে।

95
গাছ মানুষকে জীবনীশক্তি দান করে।
বিশেষ গাছ

গল্পের মতো শোনা যাচ্ছে তাই না? কিন্তু এটাও মানুষ বিশ্বাস করে এবং আরগ্য লাভের আশায় দিনরাত গাছের নিচে অবস্থান করে। বেলগাছি ইউনিয়নের কাশিপুর (23.714967,88.926524) গ্রামের মাঠের মধ্যে বিশেষ এই গাছের অবস্থান। লোকমুখে শোনা এখানে অনেকেই রোগমুক্তির আশায় অবস্থান করে , এবং তাদের থাকার জন্য এখানে সুপেয় পানির ব্যবস্থা আছে । গাছের নিচে প্রচুর পরিমানে আগর বাতি ও মোমবাতিএর অংশ পড়ে আছে ।

কথাটা শুধুই অন্ধ বিশ্বাস কিংবা অলিক গল্প নয়। শুরুটা ১৭০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার নাটাল প্রদেশে জুলু জাতির গোড়া পত্তনের মধ্য দিয়ে। জুলু আফ্রিকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তাদের ভাষায় ‘জুলু’ শব্দের আর্থ ‘স্বর্গ বা আকাশ। এই জনগোষ্ঠীতে প্রচুর প্রকৃতি পূজারি রয়েছে।কিন্তু জুলুদের প্রচলিত প্রাচীন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি আফ্রিকা মহাদেশ ছাড়িয়ে ইউরোপ আমেরিকা এমন কি অস্ট্রেলিয়াতে গবেষণা শুরু হয়েছে এবং রীতীমত তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার বিষয় ও নির্ধারন করা হয়েছে এই জুলুদের চিকিৎসা পদ্ধতি। জুলুরা মনে করে গাছ মানুষকে জীবনীশক্তি দান করে, জুলুরা যখন খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তারা জীবনের শেষ চিকিৎসা হিসেবে সুস্থ কোন গাছকে আঁকড়ে ধরে দিনের পর দিন পড়ে থাকে, তাদের বিশ্বাস এভাবে গাছ তার নিজের জীবনীশক্তি মানুষেকে দান করে তাদেরকে রোগমুক্ত করে। আর তাদের বিশ্বাসের ফল সরুপ মানুষ আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং গাছটি রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে, বেশীর ভাগ গাছা মারা যায় বলেই বেশী প্রচলিত।

অস্ট্রেলিয়ার কিছু আদিবাসী সম্প্রদায় মনে করেন বর্ষার প্রথম দিন থেকে যদি বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে গাছের সংস্পর্শে থাকা যায় কিছু দিন কিছু কাল বা কিছু সময় তবে মাটি থেকে জল শুষে নেবার সময় গাছ মানুষের থেকে সব রোগ শুষে নেই এবং জীবনী শক্তি দান করে।

তথ্যসুত্র ইন্টারনেট থেকে ও গাছের ছবি আমার তোলা। যেকোনো ধরনের সংশোধন গ্রহনযোগ্য ।